সম্মান চাও? নাকি পোশাকের স্বাধীনতা??

খ্রিস্টান, মুসলিম,,সব ধর্মের জন্যই পর্দা অর্থাৎ হিজাব পালন করা বাধ্যতামূলক,,((সে বিষয়ে পরবর্তী পোস্টে রেফারেন্স সহ আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ।))

তবে কিসের স্বাধীনতা চাও তুমি?? মানুষ হিসেবে তোমার কল্যান , তুমি ভালো জানো নাকি সৃষ্টিকর্তা ভালো জানে?? অবশ্যই সৃষ্টিকর্তা ভালো জানেন।(নাস্তিকদের কথা বাদই দিলাম,,ওরা একথা বললে মেনে নিতাম,,)কি চাও??পোশাকের স্বাধীনতা???আরে ,,,**যখন তোমাকে জীবন্ত কবর দেওয়া হতো,, ইসলাম তোমাকে কন্যার মর্যাদা দিয়েছে,,আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘যখন তাদের কাউকে কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তার মুখ অন্ধকার হয়ে যায় এবং অসহ্য মনস্তাপে ক্লিষ্ট হতে থাকে। তাকে শোনানো সুসংবাদের দুঃখে সে লোকদের কাছ থেকে মুখ লুকিয়ে থাকে। সে ভাবে, অপমান সহ্য করে তাকে থাকতে দেবে নাকি তাকে মাটির নিচে পুতে ফেলবে। শুনে রাখো, তাদের ফয়সালা খুবই নিকৃষ্ট। ’ (সুরা আন-নাহল, আয়াত : ৫৮-৫৯)**যখন তোমাকে শুধুই পণ্য হিসেবে বাজারে বিক্রি করা হতো,,ইসলাম তোমাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছে,,ইয়াতিম হিসেবে তুমি যখন ধিকৃত ছিলে,, ইসলাম তোমাকে সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছে,,৪: আন-নিসা:আয়াত: ১০اِنَّ الَّذِیْنَ یَاْكُلُوْنَ اَمْوَالَ الْیَتٰمٰى ظُلْمًا اِنَّمَا یَاْكُلُوْنَ فِیْ بُطُوْنِهِمْ نَارًا١ؕ وَ سَیَصْلَوْنَ سَعِیْرًا۠যারা এতিমদের ধন-সম্পদ অন্যায়ভাবে খায়, তারা আগুন দিয়ে নিজেদের পেট পূর্ণ করে এবং তাদেরকে অবশ্যি জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুনে ফেলে দেয়া হবে। ৪: আন-নিসা:আয়াত: ১২৭ “লোকেরা মেয়েদের ব্যাপারে তোমার কাছে ফতোয়া জিজ্ঞেস করছে। বলে দাও, আল্লাহ‌ তাদের ব্যাপারে তোমাদেরকে ফতোয়া দেন এবং একই সাথে সেই বিধানও স্মরণ করিয়ে দেন, যা প্রথম থেকে এই কিতাবে তোমাদের শুনানো হচ্ছে। অর্থাৎ এই এতিম মেয়েদের সম্পর্কিত বিধানসমূহ, যাদের হক তোমরা আদায় করছো না এবং যাদেরকে বিয়ে দিতে তোমরা বিরত থাকছো (অথবা লোভের বশবর্তী হয়ে নিজেরাই যাদেরকে বিয়ে করতে চাও) । আর যে শিশুরা কোন ক্ষমতা রাখে না তাদের সম্পর্কিত বিধানসমূহ। আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন, এতিমদের সাথে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ইনসাফের নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত থেকো এবং যে কল্যাণ তোমরা করবে তা আল্লাহর অগোচর থাকবে না।**যখন তুমি জন্মালে কলঙ্ক মনে করা হতো,, ইসলাম তোমাকে জান্নাতের সাথে তুলনা করেছে।কন্যা সন্তান হলে লালন পালনে অবহেলা করে,, ইসলাম বলে,আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে নবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দু’টি কন্যাকে তারা সাবালিকা হওয়া পর্যন্ত লালন-পালন করবে, কিয়ামতের দিন আমি এবং সে এ দু’টি আঙ্গুলের মতো পাশাপাশি আসবো (অতঃপর তিনি তার আঙ্গুলগুলি মিলিত করে দেখালেন)’। (মুসলিম, হাদিস নং: ২৬৩১, তিরমিজি, হাদিস নং: ১৯১৪, মুসনাদ আহমদ, হাদিস নং: ১২০৮৯, ইবনু আবি শাইবা, হাদিস নং: ২৫৯৪৮)**হে নারী,, তুমি তো নারী-পুরুষের সমান অধিকারের জন্য আন্দোলন করছ,, সেই অধিকার দেড় হাজার বছর আগেই ইসলাম স্পষ্ট করে দিয়ে গেছে,,, ইসলাম বলে,হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলনে, রাসুল (সা.) ইরশাদ করনে, ‘যার ঘরে কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করলো, অতঃপর সে ওই কন্যাকে কষ্ট দেয়নি, মেয়ের ওউপর অসন্তুষ্টও হয়নি এবং পুত্র সন্তানকে তার ওপর প্রধান্য দেয়নি, তাহলে ওই কন্যার কারণে আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাতে প্রবশে করাবেন। ’ (মুসনাদ আহমদ, হাদিস নং: ১/২২৩)**যখন তুমি স্বামীর কাছে অবহেলিত হচ্ছো!! ইসলাম তোমাকে তার উপর সমান অধিকার দিয়েছে,, ইসলাম বলে,২: আল-বাক্বারাহ:আয়াত: ১৮৭”তারা তোমাদের পোশাক এবং তোমরা তাদের পোশাক।”এখন সেই স্বাধীনতা বাদ দিয়ে তুমি আবার নতুন করে পোশাকের স্বাধীনতা চাওয়ায় মেতে উঠেছো??ধীক্কার জানাই,, তোমার এই নষ্ট মানসিকতার,,তুমি মুসলিম,,, কিসের স্বাধীনতার কথা বলো??হিজাব পরিধান করা তোমার জন্য বাধ্যতামূলক,,,তুমি তো পোশাকের স্বাধীনতা চাচ্ছো না,, পরোক্ষভাবে কুরআনের বিরোধীতা করে,,আসুন বোন,, আমরা রবের দেওয়া পর্দার বিধান কে মেনে চলি।জাজাকাল্লাহু খইর

লেখকঃ আব্দুর রহমান ইসমাইল

Leave a comment

Comments (

0

)

Design a site like this with WordPress.com
Get started